আখের গুড়ে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ক্যালরি, ভিটামিন ও মিনারেল। চিনি মুক্ত আখের গুড় খেতে হালকা নোনতা লাগে যা ডায়াবেটিস রোগীও নিঃসন্দেহে খেতে পারে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে। অস্থিমজ্জা নির্মাণ এবং অস্থিবিকাশে কার্যকরী হতে পারে। এছাড়াও ডায়রিয়ার রোগীকে আখের গুড়ের স্যালাইন খাওয়ানো হয়। আমাদের আখের গুড় সম্পূর্ণ চিনি, হাইড্রোজ ও কেমিক্যাল মুক্ত।
*রেগুলার মূল্য 280 টাকা প্রতি কেজি
বর্তমান রমজানের উপলক্ষে অফার মূল্য চলছে
আখের গুড়ের উপকারিতা:
আখের গুড়ের উপকারিতা অনেক বেশি। আখের গুড়ে প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, ভিটামিন, মিনারেল, এনজাইম, এমিনো এসিড ইত্যাদি অনেক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান থাকে। কিছু গুড়ে খাবারে এর আবহাওয়াগত কোনো ক্ষতি হয় না, বরং তা অনেক ভালো স্বাস্থ্যকর হতে পারে।
আখের গুড়ের উপকারিতা সম্পর্কে কিছু বৈশিষ্ট্য উল্লেখযোগ্য হলো:
1. প্রোটিন: আখের গুড়ে প্রোটিনের প্রাচুর্য থাকে, যা শরীরের শিক্ষানগরী কম্পোনেন্টের তৈরি ও রক্ষা করে।
2. কার্বোহাইড্রেট: কার্বোহাইড্রেট শরীরের প্রাথমিক শক্তির উৎস হিসাবে কাজ করে।
3. ভিটামিন ও মিনারেল: আখের গুড়ে ভিটামিন এ ও সিক্লাসের পরিমাণ সমৃদ্ধ থাকে এবং চলাচলের জন্য প্রয়োজনীয় ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, আয়রন, পটাশিয়াম ইত্যাদি মিনারেল থাকে।
4. এনজাইম এবং এমিনো এসিড: এনজাইম ও এমিনো এসিড মাধ্যমে খাদ্য পচন ও শরীরের স্বাভাবিক কাজের অনুমোদন করা হয়।
5. শরীরের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করা: কিছু গবেষণা প্রমাণ করেছে যে, আখের গুড়ে অন্য মিষ্টির তুলনায় শরীরের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে।
6. ডায়াবেটিস প্রতিরোধ: কিছু গবেষণা মূলকভাবে প্রমাণ করেছে যে, আখের গুড়ে আছে উচ্চ ফাইবার, যা ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সাহায্য করতে পারে।
7. অস্থি সুস্থতা: ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস আখের গুড়ের প্রধান উপাদান, যা অস্থি সুস্থতা ও মজবুতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
সুতরাং, এই কারণে আখের গুড় রোজানা খাওয়া বা অন্যান্য খাবারে অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি হতে পারে আপনার স্বাস্থ্য ও ভালবাসার জন্য। তবে, যেকোনো খাবারের মাত্রা ও প্রকারে নিজে